মেট্রো নিউজ ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ২৪১ জন

নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ডিম নিক্ষেপের ঘটনা, ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত নেতা ডা. তাহের

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, নিউইয়র্কে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় বাংলাদেশ মিশনের ভুল ছিল। তিনি আরও বলেন, সবাই একসাথে বের হলে এমনটা হতো না।

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াতের নেতা ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।

মোহাম্মদ তাহের বলেন, প্রথমে আমাদের প্রধান উপদেষ্টার কনভয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে তোলা হয়েছিল।

কিন্তু পরে দেখা গেল ভিসার ধরণ ভিন্ন। যারা সরকারি কর্মকর্তা তাদের জি-১ ভিসা আছে, আর আমাদের ভিসা ছিল সাধারণ পর্যটন ভিসা। নিয়ম অনুযায়ী জি-১ ভিসার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং প্রয়োজন হয় না, কিন্তু আমাদের ভিসার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং প্রয়োজন। এর ফলে যোগাযোগের ব্যবধান তৈরি হয় এবং পরে আমরা হেঁটে ইমিগ্রেশনে যাই।

বিমানবন্দরের ঘটনায় বাংলাদেশ মিশনের ভুল হয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারা কী ঘটছে তা আমাদের সঠিকভাবে অবহিত করেনি এবং সেই অনুযায়ী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা যদি একসাথে বের হতাম, তাহলে হয়তো আক্রমণকারীরা আমাদের কাছে আসত না।

জামায়াত নেতাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল – যখন প্রবাসী আওয়ামী লীগের কর্মীরা এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে ডিম ছোড়ছিল, তখন তাসনিম জারাও সেখানে ছিলেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও সেখানে ছিলেন। কিন্তু আপনি তখন সেখানে ছিলেন না।

আরো পড়ুন:

ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন, সহযোগিতায় প্রধান উপদেষ্টা : মির্জা ফখরুল

কেউ কেউ বলেন যে আপনার কাছে হয়তো তথ্য ছিল অথবা আপনাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপারটা কী?

এমন প্রশ্নের জবাবে ড. তাহের বলেন, আমরা আগেও দেখেছি যে আওয়ামী লীগ এমন কাজ করতে পারে। তারা আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদেরও এমন আশঙ্কা ছিল। কিন্তু আমরা বের হওয়ার আগে বুঝতে পারিনি তারা আসলে এখানে কী করছে বা বাইরে কী ঘটছে।

তিনি বলেন, আমি তাদের সাথে ছিলাম। তারা আমাদের থেকে ৮-১০ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় আমাদের ছেলেরা ‘তাহের ভাই, তাহের ভাই’, ‘জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিচ্ছিল। ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ডও ছিল। আমি তাদের দুজনকে বললাম, তোমাদেরও ফখরুল সাহেবের নামে স্লোগান তোলা উচিত, কারণ শুনতে একটু খারাপ লাগে। কিন্তু ছেলেরা খুব উত্তেজিত ছিল এবং শুনছিল না। তখন আমি বুঝতে পারলাম যে ফখরুল ভাই হয়তো বিব্রত বোধ করছেন। তাই আমি কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলাম যাতে স্লোগানটি তার কানে না পৌঁছায়। পরে তারা আমাকে স্বাগত জানায়, আমাকে ফুল দেয় এবং আমি সেখানে ৩-৪ মিনিট বক্তৃতা দেই। এর ফলে, সময়ের ব্যবধান একটু বেশি হয়ে যায়। পরে আমি ডিম-পিটারের কথা শুনতে পাই।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী।

ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের গুঞ্জন, আলোচনায় ৮ নেতা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, ১৬ থেকে ২৩ দিনের অবকাশ

RainBet codes app and mobile guide for Aussie players

Bookmaker non AAMS in Italia: guida completa a bonus, pagamenti e sicurezza

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপির ‘লড়াই’ শুরু—প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ—প্রধানমন্ত্রী

১০

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১১

হাম সংক্রমণে বেড়েছে মৃত্যু, একদিনে ১৭ জনের প্রাণহানি

১২

ডেমরা সার্কেলে বিশেষ অভিযানে ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

১৩

সরকারের দুই মাসের সাফল্য: জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার

১৪

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধে ক্ষুব্ধ ইরান, আবারও ‘হরমুজ’ বন্ধের হুমকি

১৫

শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক

১৬

রাজধানীর কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন, ৫ মরদেহ উদ্ধার

১৭

সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত

১৮

জাপানে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে এসএলভি নতুন দিগন্ত

১৯

ঈদে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় | কোথায় জানুন

২০