
চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, প্রয়োজনে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং দখল বাণিজ্যে জড়িতদের ক্ষমতায় আসার জন্য প্রতিরোধ করার জন্য গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠিত হবে।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, “দেশে সুশাসন এবং জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে জনসংযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে।”
চরমোনাই পীর বলেন, “এই জনসংযোগ ভিত্তিক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবিতে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ক্ষমতার লোভে যারা দেশকে লুটপাটের হাতিয়ারে পরিণত করেছে তাদের থামাতে এই আন্দোলন।”
মঙ্গলবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আয়োজিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করা হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন। চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম এতে যোগ দেবেন।
মঙ্গলবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফের পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে যে, প্রধান উপদেষ্টা আজ ৫ আগস্ট বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে অংশগ্রহণ করবে।
বার্তায় বলা হয়েছে যে, দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাবে।
প্রতিনিধিদলের মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
মন্তব্য করুন