
জুলাই সনদের খসড়া নিয়ে হতাশ এনসিপি। তারা বলছে : সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া কী হবে?-তা নেই খসড়ায়। সেখানে নির্বাচনের আগে বাস্তবায়নযোগ্য বিষয় বলতে কি বোঝানো হয়েছে তাও স্পষ্ট নয় এনসিপির কাছে। এদিকে, সনদের খসড়ার কিছু বিষয়ে পর্যবেক্ষণ রয়েছে জামায়াতের। ঐকমত্য কমিশনের কাছে আরো কিছু বিষয়ের ব্যাখ্যা চাইবে জামায়াত।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি করে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয় ফেব্রুয়ারিতে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজকে বানানো হয় এই কমিশনের সহসভাপতি। রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে ঐকমত্য কমিশন।
দীর্ঘদিন বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, বামদলসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। যেসব বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো নিয়ে একটি জায়গায় পৌঁছায় ঐকমত্য কমিশন। সেই প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সম্প্রতি জুলাই সনদের খসড়াও পাঠান তারা। এ বিষয়ে গণমাধ্যের সাথে খোলামেলা আলাপ করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন।
তিনি বলেন, আমরা হতাশ। এই খসড়াতেও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু বলা হয়নি। খসড়ায় বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু কমিশন কোন কোন বিষয়কে বাস্তবায়নযোগ্য বুঝিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
আইনী ভিত্তি দিয়ে জুলাই সনদের পুরোটা অন্তর্বর্তী সরকারকেই বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির। এছাড়া গণপরিষদের মাধ্যমে জুলাই সনদ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে অনড় এনসিপি। এই সনদ ভবিষ্যতে বিতর্কের বাইরে রাখার বিষয়েও প্রস্তাব তাদের।
জুলাই সনদের খসড়া নিয়ে এরইমধ্যে নিজেদের নীতি-নির্ধারণী ফোরামে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজী নয় দলটির
নেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।
মন্তব্য করুন