মেট্রো নিউজ ডেস্ক
২৭ অগাস্ট ২০২৫, ১:০৯ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ১৩১ জন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি

হাইকোর্ট ভবন

আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছে। আদালত শুনানির জন্য ২১ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত দেন।

আজকের রিভিউ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কার্যকর সমাধান চান যাতে এটি বারবার ব্যাহত না হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগে রিভিউ শুনানি আজ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। সেদিন শুনানির শুরুতে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে রায় দেওয়া বিচারকদের পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর
‘নির্বাচনকালীন সরকারের কার্যকর সমাধান চান আপিল বিভাগ’
২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর করে রায় ঘোষণা করা হয়। পরে, গত বছরের অক্টোবরে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

এর আগে, সুশরণ-ই-নাগরিক (সুজন) পত্রিকার সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। অন্য চারজন ছিলেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবায়রুল হক ভূঁইয়া এবং জহরা রহমান। এ ছাড়া, গত বছরের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম. সলিমুল্লাহ এবং অন্যান্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেন। পরে, বিশেষ বেঞ্চে চূড়ান্ত শুনানির পর, ৪ আগস্ট, ২০০৪ তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়। সেই রায়ে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং বলা হয় যে ১৯৯৬ সালের সংশোধনী সাংবিধানিক। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলেরও অনুমতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সেই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসন জিতে ক্ষমতায় আসে। তবে, ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত করা হয়।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী।

ঈদুল আজহায় দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে ঈদুল আজহা

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের গুঞ্জন, আলোচনায় ৮ নেতা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, ১৬ থেকে ২৩ দিনের অবকাশ

RainBet codes app and mobile guide for Aussie players

Bookmaker non AAMS in Italia: guida completa a bonus, pagamenti e sicurezza

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপির ‘লড়াই’ শুরু—প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ—প্রধানমন্ত্রী

১০

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১১

হাম সংক্রমণে বেড়েছে মৃত্যু, একদিনে ১৭ জনের প্রাণহানি

১২

ডেমরা সার্কেলে বিশেষ অভিযানে ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

১৩

সরকারের দুই মাসের সাফল্য: জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার

১৪

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধে ক্ষুব্ধ ইরান, আবারও ‘হরমুজ’ বন্ধের হুমকি

১৫

শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক

১৬

রাজধানীর কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন, ৫ মরদেহ উদ্ধার

১৭

সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত

১৮

জাপানে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে এসএলভি নতুন দিগন্ত

১৯

ঈদে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় | কোথায় জানুন

২০