
সুপ্রিম কোর্টের ১৯ জন অভিজ্ঞ আইনজীবীকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে মনোনীত করেছে আদালত প্রশাসন। দীর্ঘদিনের আইনচর্চা ও পেশাগত যোগ্যতা বিবেচনা করে এ মনোনয়ন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
১৯ জন আইনজীবীকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যা আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদার সর্বোচ্চ স্তর। এই তালিকায় রয়েছেন ড. শাহদীন মালিক, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের মতো বিশিষ্ট ও বিশিষ্ট আইনজীবী।
নতুন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত অন্য ১৫ জন আইনজীবী হলেন, অ্যাডভোকেট আমিনুল হক, অ্যাডভোকেট আবু রেজা মোঃ কাইয়ুম খান, ব্যারিস্টার এসএম মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট অরিবিন্দ কুমার, অ্যাডভোকেট সাহেদ আহমেদ, অ্যাডভোকেট মো. ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম, ফাতেমা শাহেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার এম সাকিবুজ্জামান, মোঃ জামিল আক্তার এলাহী, ব্যারিস্টার মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, অ্যাডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
সিনিয়র অ্যাডভোকেটের এই মর্যাদাপূর্ণ খেতাবটি আইনী পেশায় বিশেষ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং যোগ্যতার জন্য সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত। সাধারণত আইনজীবীর দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতা এবং বিশেষ দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদবী দেওয়া হয়। আইনজীবীদের জন্য এটি সর্বোচ্চ স্তরের পেশাগত মর্যাদা। বুধবার (১২ নভেম্বর) তাদের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, ১১ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত তালিকাভুক্তি কমিটির সভায় সদস্যদের স্বাধীন মতামতের ভিত্তিতে ১৯ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর সাথে ৪৯ জন আইনজীবীকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। একই সভায় ১৫৩ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, ১৫০ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগে তালিকাভুক্তির জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন